বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ৮৮
যশোর-৪ এর জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী,অধ্যাপক গোলাম রসূল এর সংক্ষিপ্ত পরিচিত,
নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর জেলার কৃতি সন্তান, প্রতিভাবান রাজনীতিবিদ, বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া এলাকার গণমানুষের নেতা, সৎ, যোগ্য, নির্ভীক সমাজ সেবক অধ্যাপক গোলাম রসুল যশোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অনন্য নাম। তিনি জন্মগ্রহণ করেন বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।
পিতা- মরহুম সিদ্দিক আহমেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অব:প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, মাতা-মরহুমা আনোয়ারা খাতুন। ৬ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে তার অবস্থান ৫ম এবং ভাইদের মধ্যে ৩য়। তিনি ২ কন্যা সন্তানের জনক। বড় মেয়ে এমবিবিএস ও ছোট মেয়ে ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সহধর্মিনী হামিদপুর আল-হেরা ডিগ্রী কলেজের সমাজবিজ্ঞানের সহকারি অধ্যাপক ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (RUAA) এর নির্বাহী সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল নড়াইলের শাহাবাদ মাজিদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল (হাদিস) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে কৃতিত্বের সাথে অনার্স ও মাস্টার্স পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি যশোরের ঐতিহ্যবাহী হামিদপুর আল-হেরা কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী অধ্যাপক গোলাম রসুল মাধ্যমিকে পড়াকালীন ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত, বিশেষ করে ১৯৮৭-১৯৯৬ সাল ছিল ছাত্র রাজনীতির জন্য এক ক্রান্তিকাল। এই কঠিন সময়ে তিনি বাঘারপাড়া উপজেলা, নড়াইল জেলা, যশোর শহর ও যশোর জেলা শাখার ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি হিসেবে জেল-জুলুম, নির্যাতন উপেক্ষা করে অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার সাথে দায়িত্বপালন করে শাখাগুলিকে সমৃদ্ধ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি ছাত্রজীবন শেষ করে বৃহত্তর রাজনীতিতে পদার্পন করেন। জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করার পর বাঘারপাড়া উপজেলা, যশোর শহর ও যশোর জেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্বপালন করেন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অন্যতম সদস্য এবং যশোর জেলা শাখার সম্মানিত আমীর। বিগত ১৬ বছর আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়ে ২৮ মামলা মাথায় নিয়ে ঘর বাড়িছাড়া হয়ে যৌবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তাকে জেলখানাতেই কাটাতে হয়। মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম রসুল শুধু রাজনৈতিক জীবনে নয়, সামাজিক জীবনেও মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসহায় মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে সর্বদা তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। দুস্থ ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে তার সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তত্ত্বাবধানে যশোরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে রয়েছে যশোর ফাউন্ডেশন, যশোর চ্যারিটি, যশোর আল-হেলাল ট্রাস্ট, আল-হেলাল এতিমখানা, দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র ইত্যাদি।
ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনই জামায়াতের অঙ্গীকার।







