ছোটো জাতের নারিকেল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা
সঞ্জয় ব্যানার্জী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ছোটো জাতের নারিকেল চাষে কৃষকরা ঝুঁকছেন। অল্প জমিতে অধিক উৎপাদন ও লাভজনক হওয়ায় কৃষক ছাড়াও সাধারণ মানুষ উচ্চ ফলনশীল ছোটো জাতের নারিকেল চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাটবাজারে বেশি মাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারিকেল গাছের ফলন কম হওয়ার পাশাপাশি বীজ প্রাপ্তির সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে।
অধিক ফলন ও লাভজনক উফশী জাতের ফসল হিসাবে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ছোটো জাতের নারিকেল চারা নিয়ে আসা হয়। সারা বছর ফল উত্পাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে এই খাটো জাতের নারিকেল চারা বিক্রি করা হয়।
বাণিজ্যিকভাবে এ গাছের চারার প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বেড়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের মে মাসে উপকূলীয় উপজেলায় ছোটো জাতের নারিকেল চারা রোপণ ও সম্প্রসারণ কর্মসূচি শুরু হয়। বর্তমানে উপজেলার সর্বত্র এ চারা গাছ রোপণ করা হয়েছে।
উপজেলায় কৃষিতে পুরস্কার পাওয়া বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের কৃষক কাজী আনিসুর রহমান তার খামারে ৬৫টির বেশি ছোটো জাতের নারিকেল চারা রোপণ করেন। তিনি আরো জানান, কৃষি কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী চারাগুলো যতœ নেওয়ায় গাছ বেড়ে গেছে এবং ফল বিক্রি শুরু হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, তার খামারে ১৭০টির বেশি খাটো জাতের নারিকেল গাছের চারা রোপণ করেন। তার রোপিত গাছের নারিকেল এবাধিক বার বিক্রি করা হয়। উপজেলার সাত ইউনিয়নের মানুষই ছোটো জাতের নারিকেল চাষ করছে।
অপরদিকে, সাদিউল্লা আলম জানান, তিনি একজন মিশ্র ফল বাগানী তার বাগানে প্রায় ৩৫০টির বেশি ভিয়েতনামের নারিকেল গাছ আছে যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২শ’ টি গাছের ফল বিক্রি হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, ভিয়েতনামের (ছোটো) জাতের নারিকেল চারা রোপণে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ আছে। তিনি আরো জানান, দেশীয় লম্বা জাতের নারিকেল গাছে ফুল আসতে সাত-আট বছরের অধিক সময় লাগে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের মে মাসে উপকূলীয় উপজেলায় ছোটো জাতের নারিকেল চারা রোপণ ও সম্প্রসারণ কর্মসূচি শুরু হয়। বর্তমানে উপজেলার সর্বত্র এ চারা গাছ রোপণ করা হয়েছে।
উপজেলায় কৃষিতে পুরস্কার পাওয়া বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের কৃষক কাজী আনিসুর রহমান তার খামারে ৬৫টির বেশি ছোটো জাতের নারিকেল চারা রোপণ করেন। তিনি আরো জানান, কৃষি কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী চারাগুলো যতœ নেওয়ায় গাছ বেড়ে গেছে এবং ফল বিক্রি শুরু হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, তার খামারে ১৭০টির বেশি খাটো জাতের নারিকেল গাছের চারা রোপণ করেন। তার রোপিত গাছের নারিকেল এবাধিক বার বিক্রি করা হয়। উপজেলার সাত ইউনিয়নের মানুষই ছোটো জাতের নারিকেল চাষ করছে।
অপরদিকে, সাদিউল্লা আলম জানান, তিনি একজন মিশ্র ফল বাগানী তার বাগানে প্রায় ৩৫০টির বেশি ভিয়েতনামের নারিকেল গাছ আছে যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২শ’ টি গাছের ফল বিক্রি হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, ভিয়েতনামের (ছোটো) জাতের নারিকেল চারা রোপণে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ আছে। তিনি আরো জানান, দেশীয় লম্বা জাতের নারিকেল গাছে ফুল আসতে সাত-আট বছরের অধিক সময় লাগে।
অথচ ভিয়েতনামের ছোটো জাতের নারিকেল গাছ রোপণের তিন বছরের মধ্যেই গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। এ জাতের নারিকেল গাছ সব ধরনের মাটিতেই রোপণ করা যায়। নারিকেল গাছগুলো খাটো হওয়ায় পরিচর্যা করাও বেশ সহজ হওয়ায় সকলেই এ জাতের নারিকেল গাছ রোপণ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।