ব্যাটারি নিয়ে দুশ্চিন্তার দিন শেষ: ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ‘লং-লাইফ টাইটান ব্যাটারি’ নিয়ে আসছে রিয়েলমিনিজস্ব প্রতিবেদক :
তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি শীঘ্রই বিশ্ববাজারে ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লং-লাইফ টাইটান ব্যাটারি আনতে যাচ্ছে। গ্লোবাল ব্যাটারি টেক পাইওনিয়ার হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে রিয়েলমির নতুন এই প্রচেষ্টা সত্যিই এক দারুণ মাইলফলক। বর্তমান সময়ের কর্মব্যস্ত দিনে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ; আর বাস্তব এ সমস্যা সমাধানে নতুন স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি।
দীর্ঘ ভ্রমণ, লাইভ স্পোর্টস স্ট্রিমিং কিংবা অনিশ্চিত বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সবসময় তাড়া করে বেড়ায়। বিশ্বজুড়ে ফোন ব্যবহারকারীদের ব্যাটারি সংক্রান্ত এ সকল দুশ্চিন্তা দূর করতে নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসছে রিয়েলমি।
তরুণ প্রজন্মের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও সাবলীল করতে রিয়েলমি তাদের ব্র্যান্ড ফিলোসফি ‘মেক ইট রিয়েল’ অনুসারে অর্থবহ উদ্ভাবনে বিশ্বাসী। পুরো স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রি যখন হাই-ক্যাপাসিটি ব্যাটারি সল্যুশন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যস্ত, রিয়েলমি তখন গত বছরের ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার কনসেপ্টকে বাস্তবে রূপ দিয়ে রেকর্ড সময়ের মধ্যে ‘১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লং-লাইফ টাইটান ব্যাটারি’-এর ব্যাপক উৎপাদন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মোবাইলের দীর্ঘস্থায়িত্বকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা এই মাইলফলকটি প্রায় এক সপ্তাহব্যাপী পাওয়ার ব্যাকআপ নিশ্চিত করবে। ফলে চলার পথে ব্যবহারকারীদেরকে ভারী পাওয়ার ব্যাংক বহন কিংবা চার্জিং পোর্টের খোঁজ করা নিয়ে আর ঝামেলা পোহাতে হবে না।
যুগান্তকারী ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সহ সামনে রিয়েলমি পি৪ পাওয়ার স্মার্টফোন খুব শীঘ্রই বিশ্ববাজারে নিয়ে আসতে যাচ্ছে রিয়েলমি। ডিভাইসটি কেবল ব্যাটারি সক্ষমতাই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী নির্ভরযোগ্যতার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। উন্নত ‘সেফটি আর্কিটেকচার’ ও ইন্টেলিজেন্ট ‘লংজিভিটি টেকনোলজি’ ব্যবহারের ফলে ব্যাটারিটি তার পুরো লাইফসাইকেল জুড়ে স্থিতিশীল পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। ব্যস্ততম পেশাজীবী থেকে শুরু করে দুর্গম এলাকায় অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় ভ্রমণকারীদের জন্য এই ব্যাটারি সমানভাবে কার্যকর হবে; যা ব্যবহারকারীদের চরম প্রতিকূল পরিবেশেও নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার সাপোর্ট প্রদান করবে।
ধারণা করা হচ্ছে, বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে দীর্ঘস্থায়িত্বের ক্ষেত্রে নতুন এক মানদণ্ড স্থাপন করবে এই গ্লোবাল টেকনোলজি। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য এমন এক নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি নিশ্চিত করবে যা তাদের দ্রুতগতির লাইফস্টাইলের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলতে সক্ষম।







