

স্টাফ রিপোর্টার:৫ই মে ২০২৬
ঢাকা: দেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে নীতিগত সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)।
সংগঠনটির প্রকাশিত নীতিপত্রে বলা হয়, গত দুই দশকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খাত উচ্চশিক্ষার বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে নীতিগত ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে এই খাত এখনও তার পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন করতে পারেনি।
নীতিপত্রে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরাসরি সরকারি অনুদান পায় না, বরং বিভিন্ন ধরনের কর ও ভ্যাটের বোঝা বহন করতে হয়, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে। ফলে টিউশন ফি বৃদ্ধি, গবেষণায় বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
এপিইউবি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, শিক্ষা খাতকে ট্যাক্সমুক্ত
বিশেষ অতিথিদের উপস্থিতিতে শিক্ষাবিষয়ক আয়োজন অনুষ্ঠিত
ঢাকা: একটি শিক্ষাবিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মাহদি আমিন, যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মামুন আহমেদ, যিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তারা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার মান উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। এছাড়া দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।








